পাসপোর্ট ও ছবি।
মেয়াদ, ফাঁকা পাতা, পুরনো পাসপোর্ট, আর ছবির মাপ, রং ও কপি।
সূত্র আর তারিখ সহ উত্তর
ভিসার আবেদন নিয়ে সবচেয়ে বেশি ওঠা প্রশ্নগুলোর উত্তর, প্রতিটির সাথে অফিসিয়াল সূত্র আর যাচাইয়ের তারিখ সহ। যে উত্তরগুলো এখনো মেলানো যায়নি, সেগুলোতে তা স্পষ্ট করে বলা আছে।
৬টি প্রশ্ন
মেয়াদ, ফাঁকা পাতা, পুরনো পাসপোর্ট, আর ছবির মাপ, রং ও কপি।
আবেদন জমা দেওয়ার দিন থেকে অন্তত ৬ মাস।
অন্তত ২টি ফাঁকা পাতা।
২×২ ইঞ্চি অর্থাৎ ৫১×৫১ মিলিমিটার, বর্গাকার।
সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, এবং পুরো মুখ দেখা যেতে হবে।
এক কপি। হাইকমিশনের অফিসিয়াল নথি আর IVAC-এর ডকুমেন্ট পাতা, দুটোতেই এক কপি সাম্প্রতিক রঙিন ছবির কথা লেখা।
হ্যাঁ, নথিতে বলা আছে পুরনো পাসপোর্ট আবেদন ফর্মের সাথে জমা দিতে হবে।
৬টি প্রশ্ন
জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে কী দেবেন, আর বসবাস, আর্থিক সচ্ছলতা ও পেশার প্রমাণ।
জন্মনিবন্ধন সনদের কপি। নথিতে দুটোই বিকল্প হিসেবে দেওয়া আছে।
বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল বা ল্যান্ডলাইন টেলিফোন বিলের কপি। মোবাইল ফোনের বিল তালিকায় নেই।
ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ১৫০ ডলার সমপরিমাণ মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট, অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট/ট্রাভেল কার্ডের কপি।
পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্স করানো: আবেদনকারী প্রতি ১৫০ ডলারের সমপরিমাণ, এবং জমা দেওয়ার সময় তা তিন মাসের বেশি পুরনো হওয়া চলবে না।
পেশা অনুযায়ী একটি: সরকারি চাকরিতে গভর্নমেন্ট অর্ডার, বেসরকারিতে নিয়োগকর্তার সনদ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র, বা অবসরের কাগজ।
অফিসিয়াল তালিকায় এই তিনটি অবস্থার জন্য কোনো বিকল্প দেওয়া নেই। আবেদন কেন্দ্রে জিজ্ঞেস করে নিতে হবে।
১৬টি প্রশ্ন
মেডিকেল, স্টুডেন্ট, ট্রানজিট, বিজনেস আর অন্য ধরনে বাড়তি যা লাগে।
হাইকমিশনের অফিসিয়াল নথিতে ১০টি ভাগ আছে: ট্যুরিস্ট, ট্রানজিট, বিজনেস, মেডিকেল, স্টুডেন্ট, মুক্তিযোদ্ধা, এন্ট্রি, প্রতিরক্ষা ও পুলিশ, কনফারেন্স এবং এমপ্লয়মেন্ট।
মেডিকেল ভিসা
অফিসিয়াল নথিতে রিপোর্টের বয়সের কোনো সীমা লেখা নেই। “৬ মাসের বেশি নয়”, এই দাবিটির অফিসিয়াল ভিত্তি আমরা পাইনি।
মেডিকেল ভিসা
সাথে যাওয়া ব্যক্তির আলাদা মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট ভিসা (MX) লাগে, এবং হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারে তাঁর নাম ও পাসপোর্টের তথ্য থাকতে হবে।
মেডিকেল ভিসা
অপ্রাপ্তবয়স্ক রোগীর সাথে বাবা-মা বা অভিভাবকের মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে যাওয়া বাধ্যতামূলক।
মেডিকেল ভিসা
আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA), দুই জায়গা থেকেই ছাড়পত্র লাগে।
মেডিকেল ভিসা
রোগী ও অ্যাটেনডেন্ট দুজনের নাম ও পাসপোর্টের তথ্য, অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ, এবং ডাক্তারের নাম।
স্টুডেন্ট ভিসা
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র (NOC)।
স্টুডেন্ট ভিসা
জামিনদারের ব্যাংক সচ্ছলতার কাগজপত্র। আবেদনকারীর নিজের আর্থিক কাগজ থেকে এটি আলাদা।
এন্ট্রি ভিসা
এন্ট্রি ভিসা। ভারতীয় নাগরিকের স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের সন্তানদের জন্য এই ক্যাটাগরি।
ট্রানজিট ভিসা
ভারত হয়ে তৃতীয় কোনো দেশে যাওয়ার সময়। গন্তব্য দেশের বৈধ ভিসা, নিশ্চিত করা টিকিট আর সেখানকার হোটেল বুকিং লাগে।
ট্রানজিট ভিসা
যাওয়া ও আসা, দুই দিকেই ভারতে ৩ দিন করে। এ ক্ষেত্রে ডাবল এন্ট্রি ট্রানজিট ভিসা দেওয়া হয়।
ট্রানজিট ভিসা
ট্রানজিট ভিসা, তবে ভিসা ম্যানুয়ালের আলাদা বিধান প্রযোজ্য: DG-Shipping এর বিশেষ অনুমতি ও সিম্যান বুক লাগে।
বিজনেস ভিসা
না। নথিতে চাওয়া হয়েছে “valid Trade License with Tax Identification Number (TIN)”। লাইসেন্স বৈধ হতে হবে এবং তাতে TIN থাকতে হবে।
বিজনেস ভিসা
সুপারিশপত্র অথবা হালনাগাদ সদস্যপদ: যেকোনো একটি লাগবে, এবং সদস্যপদ দিলে সেটি হালনাগাদ হতে হবে।
কনফারেন্স ভিসা
সম্মেলন বা সেমিনারে যোগ দিতে কনফারেন্স ভিসা। এতে কাগজ অনেক কম: আয়োজকদের আমন্ত্রণপত্র আর নিজের প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র।
প্রতিরক্ষা ও পুলিশ সদস্যদের ভিসা
একটি নির্ধারিত ডিফেন্স ফর্ম পূরণ করতে হয়, যেটি IVAC-এর ওয়েবসাইটে রাখা আছে।
৮টি প্রশ্ন
ফি, ওয়েবফাইল, স্লট, সেশনের সময়, কেন্দ্র আর বুকিং বদল।
ভিসা ফি নেই: ভারত সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে নেয় না। IVAC প্রসেসিং ফি নেয় ১,৫০০ টাকা (সব মিলিয়ে), ১০ আগস্ট ২০২৫ থেকে।
হ্যাঁ, কেন্দ্র আর ক্যালেন্ডার থেকে ফাঁকা তারিখ নিজেই বাছতে হয়। পরের দুই সপ্তাহের স্লট বৃহস্পতিবার খোলে। এটি পোর্টালের সর্বশেষ FAQ-র (১৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর) কথা।
যাচাই চলছে
বুকিংয়ে সময় ১৫ মিনিট। এটি যাচাই করা। এক অ্যাকাউন্টে কতজন, তা নিয়ে সূত্র দুটি একমত নয় (৪ জন বা ৫ জন), তাই সেই অংশ যাচাই বাকি।
পাঁচটি: ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট। IVAC-এর “Contact Us” পাতায় ঠিকানা ও সময় আছে।
অনলাইন ভিসা আবেদন সফলভাবে জমা দিলে যে PDF তৈরি হয়, সেটাই ওয়েবফাইল। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে এটি লাগে।
৩০ দিন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের সময় ওয়েবফাইল ৩০ দিনের বেশি পুরনো হলে নেওয়া হয় না।
মোবাইল, ইমেইল, নাম, পাসপোর্ট নম্বর, NID ও জন্ম তারিখ, সবই প্রাইমারি ওয়েবফাইলের তথ্যের সাথে মিলতে হয়, আর পরে বদলানো কঠিন।
না। বুকিং নিশ্চিত হওয়ার পর তারিখ বদল, বাতিল বা অন্যকে হস্তান্তর, কোনোটাই করা যায় না।